মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভূমি বিষয়ক তথ্য

১. আমদিয়া ইউনিয়নের মোট ভূমির পরিমান  বা আয়তন :   ২০.২০২ বর্গ কিলোমিটার।

 

২. আমদিয়া ইউনিয়নের ভূমি উন্নয়ন কর ও কিদারী- ৮,০৮০০০/= (২০১৩-২০১৪)

 

৩. মোট কৃষি জমিঃ- ৮৯৩২ একর

 

৪. মোট খাস জমিঃ ৫৯.৩৬ একর

 

৫. উপরুক্ত তথ্য ছাড়াও ভূমি বিষয়ক কিছু জরুরী তথ্য নিম্নে দেয়া হল: -

 

  1. জমিজমার জাল দলিল সৃষ্টি করতে প্রতারকেরা বিভিন্ন পদ্ধতি নিতে পারে। কীভাবে দলিল জাল হতে পারে, এ সম্পর্কে জেনে রাখুন জাল দলিল চেনার উপায়
    সাধারণত দেখা যায়, মালিকের ছদ্মবেশে কাউকে মালিক সাজিয়ে জমি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে রেজিস্ট্রি করে নেয়। অবশ্য এর সঙ্গে কিছু অসৎ কর্মচারীর যোগাযোগ থাকে। মালিকানা ছাড়াই দলিলদাতা সাজতে পারে।
    অনেক সময় দেখা যায়, বণ্টননামার ক্ষেত্রে সহ-শরিকদের অজান্তে ভুয়া বণ্টননামা করে দলিল জাল করতে পারে। সাধারণত যেসব ক্ষেত্রে আদালত থেকে বণ্টননামা সম্পন্ন করা হয় না, সে ক্ষেত্রে দলিল জালের সম্ভাবনা থাকে। গ্রামের লেখাপড়া না জানা লোকদের বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়।
    অনেক সময় ঘষামাজা করে এবং ওভাররাইটিং বা কাটাছেঁড়া করেও দলিল জাল করতে পারে। আবার মূল তারিখ ঠিক রেখে দলিলের বিষয়বস্তু জাল করতে পারে।
    মালিক বিদেশে থাকলে মূল দলিল থেকে জালিয়াতি করা হতে পারে।
    ধরা যাক, মালিক দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বাইরে আছেন। এই সুযোগে তাঁর এক নিকটাত্মীয় হুবহু একটি জাল দলিল তৈরি করে নিলেন এবং এ দলিল তিনি বিক্রয় দলিল হিসেবে দেখালেন। তাঁর ওই আত্মীয় এ দলিল দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণও নিয়েছেন। পরে যখন এ ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারেননি, তখন সার্টিফিকেট মামলা হয় এবং মূল মালিকের বরাবর নোটিশ যায়। এখন ঋণের বোঝা এসে দাঁড়ায় মালিকের ওপর। এদিকে তাঁর নিকটাত্মীয় আত্মগোপন করেন।
    এজমালি সম্পত্তি অর্থাৎ ভাইবোন মিলে যে সম্পত্তি ভোগ করে থাকে, এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ভাইয়েরা বোনদের না জানিয়ে দলিল তাদের নামেই করিয়ে থাকে। পরে জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বোনেরা দাবি করলে ক্রেতা বিপদে পড়তে পারে।

    দলিল জাল কি না পরীক্ষা করুন
    ১. সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।
    ২. এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।
    ৩. অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।
    খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।
    ৪. সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে।
    ৫. জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।
    ৬. সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।
    ৭. কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।
    ৮. সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেওয়া দরকার।
    ৯. দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহূত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

     

    দলিলের বিভিন্ন রকম শব্দের অর্থ ও ব্যবহার

    নানা কারণেই আমাদের বিভিন্ন সময়ে দলিল ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়। কিন্তু দলিলপত্র ঘাঁটার অভ্যাস নেই এমন লোকদের জন্য দলিলের ভাষা উদ্ধার করা সহজসাধ্য কাজ নয়। কেননা, বাংলা দলিল কিংবা চুক্তিপত্রে অনেক শব্দ আছে, যেগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। আবার এমন সব শব্দও আছে, যেগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কথাবার্তায় খুব কম ব্যবহূত হয় কিংবা আমাদের সঙ্গে তাদের পরিচিতি কম। দলিলে ব্যবহূত এ রকম কিছু শব্দের অর্থ ও ব্যুৎপত্তি নিচে তুলে ধরা হলো—
    সাং = সাকিন, সাকিম। সাকিন বা সাকিম শব্দের অর্থ ঠিকানা, বাসস্থান।
    গং = অন্যরা, সমূহ। অমুক [ব্যক্তিনাম] ও অন্যান্য বা তার সহযোগীগণ। যেমন: যদি লেখা থাকে আবদুল কাদের গং, তাহলে বুঝতে হবে যে আবদুল কাদেরের সঙ্গে আরও অনেকে আছেন।
    মোং = মোকাম। এর অর্থ আবাস, বাসস্থান হলেও মূলত বাণিজ্য স্থান বা বিক্রয়কেন্দ্র বোঝাতেই এটি ব্যবহূত হয়।
    কিঃ = কিস্তি। কিন্তু শব্দটি দফা, বার, ক্ষেপ এই অর্থেও ব্যবহূত হয়।
    এজমালি/ইজমালি = যৌথ, সংযুক্ত, বহুজনের একত্রে। যেমন: এজমালি সম্পত্তি বলতে যৌথ মালিকাধীন সম্পত্তিকে বোঝায়।
    কিত্তা/ কিতা = আববি ‘ক্বত্বহ’ শব্দজাত। এর অর্থ অংশ, জমির ভাগ, পদ্ধতি।
    ছানি = আরবি শব্দ, অর্থ দ্বিতীয়বার। পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা। যেমন: ছানি মামলা।
    ছোলেনামা = মীমাংসা, আপোষ/আপস। ছোলেনামা মানে আপস-মীমাংসাপত্র।
    জঃ = জমা। সাধারণ অর্থে ‘জমা’ বলতে সঞ্চিত, রাশীকৃত, স্তূপীকৃত হওয়া বোঝায়। কিন্তু ভূমি আইন ও দলিল-দস্তাবেজে এটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। যেমন: জমা মানে পুঁজি, মোট, খাজনা, রাজস্ব, বার্ষিক কর [হাওলার বার্ষিক জমা ১০ টাকা]। আবার ‘জমা ওয়াশিল’-এর অর্থ আয়-ব্যয়ের হিসাব; ‘জমা ওয়াশিল বাকি’ মানে দেয় খাজনার কত আদায় বা লভ্য খাজনার কত আদায় হয়েছে এবং কত বাকি আছে তার হিসাব; ‘জমা খারিজ’ অর্থ যৌথ খতিয়ানের জমা থেকে কোনো সহমালিক বা অংশীদারের আবেদনক্রমে তার অংশ আলাদা করে যে নতুন জমা ও খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়।
    খারিজ = সাধারণ অর্থে বাতিল করা হয়েছে এমন বোঝায়। ভূমি আইনে একজনের নাম থেকে অন্যজনের নামে জমির মালিকানা পরিবর্তন করে নেওয়াকে বোঝায়।
    তমঃ = তমসুক। আরবি শব্দজাত, যার অর্থ দলিল, ঋণ-স্বীকারপত্র বা খত। অর্থাৎ কর্জ গ্রহীতা যে লিখিত পত্র, বিশেষত সরকারি স্ট্যাম্প বা কাগজমূলে কর্জদাতার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। বন্ধকী তমসুক মানে হলো বন্ধকনামা বা বন্ধকী বা বন্ধকী খত।
    দং = দরুন, বাবদ, দখল।
    নিম = ফারসি শব্দ। এর অর্থ অল্প, অর্ধেক, অধস্তন বা অধীন ইত্যাদি।
    নং = নম্বর বা সংখ্যা অর্থে বোঝানো হয়।
    পঃ = পঞ্চম বা পাঁচের স্থানীয়।
    পোঃ = পোস্ট অফিস বা ডাকঘর বোঝানো হয়।
    মহঃ = মহকুমা। ব্রিটিশ আমলে জেলার একটি প্রশাসনিক অংশকেই মহকুমা বলা হতো।
    মুসাবিদা = খসড়া তৈরি করা। মুসাবিদাকারক মানে যিনি দলিল লেখেন।
    হিঃ = হিসাব শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ
    চৌঃ = চৌহদ্দি। চৌহদ্দি শব্দের অর্থ হচ্ছে চারধারের সীমানা।
    তঃ/তপঃ = তফসিল, তহশিল।
    তামাদি = ফারসি শব্দ। এর অর্থ নির্ধারিত সময়সীমা।
    বিতং = বিস্তারিত বিবরণ, কৈফিয়ত, বৃত্তান্ত অর্থে ব্যবহূত হয়।
    মাং/ মাঃ = মারফত। মারফত মানে মাধ্যম, অর্থাৎ যার হাত দিয়ে বা মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়।
    সহঃ = সহকারী, যিনি কাজে সহযোগিতা করেন।
    সুদিখত = একশ্রেণীর বন্ধকী দলিল।
    হলফ = সত্য বলার জন্য যে শপথ করা হয়। হলফকারী মানে যিনি সত্যায়ন করেন।
  2.  

    Formula of Paki, Bigha and Decimal:
    1 Paki = 1 Bigha = 33 Decimal
    1 Decimal = 1 Shotangsho (Shotok) = 435.6 Sq Feet (approx)
    1 Kattah (or Cottah) = 720 Sq Feet (approx)
    20 Kattah (or Cottah) = 1 Bigha
    3 Bighas = 1 Acre approx. (1600 square yards)
    4 Kora = 1 Gonda
    20 Gonda = 1 Kani
    80 Kora = 1 Kani
    120 Decimal = 1 Kani
    Formula of Square Feet and Kani:
    17280 Square Feet = 1 Kani
    1619 Square Meter = 1 Kani
    40000 Square Links = 1 Kani
    7680 Square Hat = 1 Kani
    1936 Bargogoz = 1 Kani
    40 Acore = 1 Kani
    Formula of 8 Hat nol :
    12 Nol * 10 Nol = 120 Bargonol
    Kani and Gonda as square feet:
    17280 Square Feet = 1 Kani = 20 Gonda ( Measurement of 8 Hat nol )
    864 Square Feet = 1 Gonda = 4 Kora
    216 Square Feet = 1 Kora = 3 Kransti/Kontho
    72 Square Feet = 1 Kransti = 20 Til
    3.6 Square Feet = 1 Til
    Formula of Square Feet and Acore:
    1 Chain = 66 Feet
    10 Square Chain = (66*660) or 1 Acore = 43560 Square Feet
    1 Acore or 100 Shotok = 43200 Square Feet
    Formula of Square Link, Acore and Shotok:
    1 Chain = 100 Link, So 1 Square Chain = 100*1000 =100,000 Square Link = 1 Acore
    1 Acore Or 100 Shotok = 1,00,000 Square Link
    1 Shotok = 1,000 Square Link
    100 Link = 66 Feet
    Formula of Kani and Gonda as Square Link:
    1 Kani Or 20 Gonda = 40,000 Square Link
    1 Gonda Or 4 Kora = 2000 Square Link
    1 Kora Or 3 Kanti = 500 Square Link
    1 Kranti Or 20 Til = 160.66 Square Link
    1 Til = 8.33 Square Link
    Formula of 8 Hat Nol as Square Hat:
    1 Kani Or 20 Gaz = 7680 Bargo Hat
    1 Gonda Ot 4 Kora = 384 Bargo Hat
    1 Kora Or 3 Kanti = 96 Bargo Hat
    1 Kranti Or 20 Til = 32 Bargo Hat
    1 Til = 1.6 Bargo Hat
    Formula of Kani and Gondar fo 8 Hat Nol as Square Feet:
    1 Kani Or 20 Gonda = 17280 Square Feet
    1 Gonda Or 4 Kora = 864 Square Feet
    1 Kora Or 3 Kontho/Kranti = 216 Square Feet
    1 Kontho Or 6 Donto = 72 Square Feet
    1 Dondho Or 7 Dhul = 12 Square Feet
    1 Dhul Or 30 Renu = 1.71 Square Feet
    1 Renu = 0.057 Square Feet
    Formula of Kani and Gondar as Bargo Gaz:
    1 Kani Or 20 Gonda = 1936 Bargo Gaz (Square Gaz)
    1 Gonda Or 4 Kora = 96.8 Bargo Gaz (Square Gaz)
    1 Kora Or 3 Kranti = 24.2 Bargo Gaz (Square Gaz)
    1 Kranti Or 20 Til = 8.06 Bargo Gaz (Square Gaz)
    1 Til = 0.40 Bargo Gaz (Square Gaz)
    Formula of Kani and Gondar as Square Meter:
    (40.47 * Meter * 39.67 = 1605 Square Meter)
    1 Kani Or 20 Gonda = 1605 Square Meter
    1 Gonda Or 4 Kora = 80.25 Square Meter
    1 Kora Or 3 Kranti = 20.06 Square Meter
    1 Kranti Or 20 Til = 6.68 Square Meter
    1 Til = .334 Square Meter
    Formula of Acore and Shotok:
    Length 10 Chain * Width 1 Chain = 10 Square Chain = 1 Acore
    1 Chain = 66 Feet = 44 Hat = 22 Gaz = 20.12 Meter = 792 Inchi = 100 Link
    1 Acore = 10 Square Chain
    1 Acore = 100 Shotok
    1 Acore = 43560 Square Feet
    1 Acore = 19360 Square Hat
    1 Acore = 4840 Borgo Gaz (Square Gaz)
    1 Acore = 4047 Square Meter
    1 Acore = 1,00,000 Square Link
    1 Acore = 3 Bigha 8 Chotak
    1 Acore = 60.5 Kattah
    1 Acore = 2 Kani 10 Gonda (Accoding to 40 Shotok Kani)
    1 Acore = 432.6 Square Feet
    1 Acore = 1 Gonda
    Formula of Acore and Shotok as Square Link:
    1 Chain = 100 Link
    1 Square Chain = 100 * 1000 = 1,00,000 Square Link = 1 Acore
    1 Acore Or 100 Shotok = 1,00,000 Square Link
    Formula of Acore and Shotok as Square Feet:
    1 Chain = 66 Feet
    10 Square Chain = 66 * 66
    Or 1 Acore Or 100 Shotok = 43569 Square Feet
    1 Shotok = 435.6 Square Feet
    Formula of Kani and Gonda as Acore and Shotok:
    1 Shotok = 435.6 Square Feet
    1 Kani Or 40 Shotok = 435.6 * 40 = 17424 Square Feet
    1 Kani Or 20 Gonda = 17424 Square Feet
    1 Gonda Or 4 Kora = 871.2 Square Feet
    1 Kora Or 3 Kranti = 217.8 Square Feet
    1 Kranti Or 20 Til = 72.6 Square Feet
    1 Til = 3.63 Square Feet
    Formula of Acore and Shotok as Borgo Hat:
    1 Chain = 88 Hat
    10 Square chain = 44 * 440 = 19360 Borgo Hat (1 Acre)
    1 Acre Or 100 Shotok = 19360 Borgo Hat
    1 Shotok = 193.6 Borgo Hat
    40 Shotok Or Kani = 193.6 * 40 = 7744 Square Hat
    Formula of Acore and Shotok as Borgo Gaz:
    1 Chain = 22 Gaz
    10 Square Chain Or 1 Acre = 220 * 22 = 4840 Borgo Gaz
    1 Acre Or 100 Shotok = 4840 Square Gaz
    1 Shotok = 48.40 Barogo Gaz
    1 Kani Or 40 Borgo Gaz = 48.40 * 40 = 1936 Bargo Gaz
    Formula of Acore and Shotok as Square Meter:
    1 Chain = 2012 Meter
    10 Square Chain Or 1 Acre = 201.2 * 20.12 = 4047 Square Meter
    1 Acre Or 100 Shotok = 4047 Square Meter
    1 Shotok = 40.47 Square Meter
    Formula of Bigha and Kattah:
    1 Bigha = 80 Hat
    1 Bigha = 80 * 80 6400 Square Hat
    1 Bigha = 20 Kattah
    1 Bigha = 33 Shotok
    1 Bigha = 33000 Square Link
    1 Bigha = 6400 Square Hat
    11 Bigha = 1600 Borgo Gaz (Square Gaz)
    1 Bigha = 14400 Square Feet
    1 Bigha = 1338 Square Meter
    1 Bigha = 16 Gonda 2 Kora 2 Kranti
    Formula of Bargohat and Bigha:
    1 Bigha or 20 Kattah = 6400 Bargohat (Square Hat)
    1 Kattah or 16 Chotak = 320 Bargohat (Square Hat)
    1 Chotak = 320 Bargohat (Square Hat)

    Formula of Bigha and Kattah:
    4 Kak = 1 Kora
    4 Kora = 1 Gonda
    16 Chotak = 1 Kattah
    20 Kattah = 1 Bigha
    20 Gonda = 1 Chotak
    6 Bigha = 1 Gonda

    Formula of Bigha, Kattah and Hat:
    1 Bigha or 20 Kattah = 80 Hat
    1 Kattah or 16 Chotak = 4 Hat
    1 Chotak or 20 Gonda = .25 Hat
    1 Gonda or 4 Kora = .0125 Hat
    1 Kora or 4 Kak = .0031 Hat
    1 Kak = .0007 Hat

    Formula of Bargolink/Square link, Bigha:
    1 Bigha or 20 Kattah = 33000 Bargolink/Square link
    1 Kattah or 16 Chotak = 1650 Bargolink/Square link
    1 Chotak = 103.125 Bargolink/Square link

    Formula of Bargofut/Square Feet and Bigha:
    1 Bigha or 20 Kattah = 14,400 Bargofut/Square feet
    1 Kattah or 16 Chotak = 720 Bargofut/Square feet
    1 Chotak = 45 Bargofut/Square feet

    Formula of Bargogaz/Square Gaz and Bigha:
    1 Bigha or 20 Kattah = 1600 Bargogaz/Square gaz
    1 Kattah or 16 Chotak = 80 Bargogaz/Square gaz
    1 Chotak = 5 Bargogaz/Square gaz

    Formula of Bargometer/Square meter and Bigha:
    1 Bigha or 20 Kattah = 1338 Bargometer/Square meter
    1 Kattah or 16 Chotak = 66.9 Bargometer/Square meter
    1 Chotak = 4.18 Bargometer/Square meter

    Formula of Ayer/ayor and Hector:
    1 Hector = 10,000 Bargometer/Square meter
    1 Hector = 11960 Bargogaz/Square gaz
    1 Hector = 1.47 Acre
    1 Hector = 100 Ayer
    1 Ayer = 28.9 Bigha (Approx)

    Formula of Bargometer/square meter, Ayer and Hector:
    1 Hector or 100 Ayer = 10,000 Bargometer/Square meter
    1 Ayer = 100 Bargometer/Square meter

    Formula of Shotok, Ayer and Hector:
    147.105 Shotok = 1 Hector or 100 Ayer
    247.105 Shotok = 1 Ayer

    Formula of Bargohat, Ayer and Hector:
    4789.528 Bargohat/Square Hat = 1 Hector
    478.39528 Borgohat = 1 Ayer

    Formula of Bargofut, Ayer and Hector:
    107639 Bargofut/Square feet = 1 Hector or 100 Ayer
    1076.39 Bargofut/Square feet = 1 Ayer

    Formula of Bargogaz, Ayer and Hector:
    11959.882 Gaz = 1 Hector or 100 Ayer
    119.59882 Gaz = 1 Ayer

    Formula of Bigha, Kattah, Ayer and Hector:
    7.47494 Bigha = 1 Hector or 100 Ayer
    0.0747494 Bigha = 1 Ayer

    Keywords: Unit, Sutro, Shutra, Shutro, Shutra, Shutraboli, Vhumi, Jami, Parimap, Law, Dalil, Dolil, Ayor, Borgofut, Borgogaz Borgogaj

     

    বিঘা-কাঠার হিসাব

    ১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
    ১ বিঘা = ২০ কাঠা
    ১ কাঠা = ১৬ ছটাক
    ১ ছটাক = ২০ গন্ডা
    ১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
    ১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট
    ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট
    ১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট

    লিঙ্ক এর সাথে ফুট ও ইঞ্চির পরিবর্তন

    লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি
    ৫ লিঙ্ক = ৩ ফুট ৩.৬ ইঞ্চি
    ১০ লিঙ্ক = ৬ ফুট ৭.২ ইঞ্চ
    ১৫ লিঙ্ক = ৯ ফুট ১০.৮ ইঞ্চি
    ২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট ২.৪ ইঞ্চি
    ২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট ৬.০ ইঞ্চি
    ৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট ৪.৮ ইঞ্চি
    ৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট
    ১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট

    এয়র হেক্টর হিসাব

    ১ হেক্টর = ১০,০০০
    ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
    ১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা
    ১ হেক্টর = ১০০ এয়র
  3.  

    গান্টার শিকল জরীপঃ

    ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসী বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্যে ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী।

    এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট

    গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

    প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি
    দৈর্ঘ্য ১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর
    গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি)

    ২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-
    ৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-
    ৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬.৮ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-
    ৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬.০ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-
    ৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন

    একর শতকে ভূমির পরিমাপ

    ১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
    ১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
    ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

    আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমান বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক।

    বিভিন্ন প্রকারের আঞ্চলিক পরিমাপ

    আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান।

    কানিঃ
    কানি দুই প্রকার। যথা-
    (ক) কাচ্চা কানি
    (খ) সাই কানি

    কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

    সাই কানিঃ
    এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

    কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা

    ২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
    ১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
    ১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
    ১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
    ১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
    ১ একর = ১০ বর্গ চেইন
    ১ একর = ১০০ শতক
    ১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
    ১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
    ১ একর = ৬০.৫ কাঠা
    ১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট

     

    ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:
    (১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক
    (২) কাঠা,
    (৩) বিঘা এবং
    (৪) একর
    এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা "সরকারি মান" ( Standard Measurement) বলে পরিচিত।

    উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নে প্রদান করা হলোঃ

    ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ
    ১২'' ইঞ্চি = ১ ফুট
    ৩ ফুট= ১ গজ

    ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে।
    যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।

    বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ

    ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ধরে
    ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
    ৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
    ১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
    ১৪৫২০বর্গফুট= ১ বিঘা
    ৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
    ৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
    ৭২১.৪৬ বর্গফুট= ১ কাঠা
    ৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
    ২০ বর্গহাত = ১ ছটাক
    ১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)

    কাঠা, বিঘা ও একরের মাপঃ

    ১৬ ছটাক = ১/ কাঠা
    ০.০১৬৫ অযুতাংশ = ১/কাঠা
    ০.৩৩ শতাংশ বা ০.৩৩০০ অযুতাংশ = ১ বিঘা
    ২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা
    ১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক = ৬০.৫ কাঠা

    টিকাঃ
    একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চাষ অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে।

    মিলিমিটার ও ইঞ্চিঃ

    ১ মিলিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়)
    ১ সেন্টিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়)
    ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা ৩.২৮ ফুট/ ১.০৯৩ গজ (প্রায়)
    ১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার
    ১ কিলোমিটার= ১১ শত গজ
    ২ কিলোমিটার = (সোয়া মাইল)
    ১৭৬০ গজ = ১ মাইল
    ১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল।
    ৮৮০ গজ = আধা মাইল
    ৪৪০ গজ = পোয়া মাইল।
    ১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়)
    ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়)
    ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়)
  4.  

    আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩
    ( ২০১৩ সনের ৪ নং আইন )
    [২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ]

    Contempt of Courts Act,1926 রহিতক্রমে উহা পুনঃপ্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

    যেহেতু Contempt of Courts Act,1926 (Act No. XII of 1926) রহিতক্রমে উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
    যেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-

    সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
    ১। (১) এই আইন আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩ নামে অবিহিত হইবে।

    (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

    সংজ্ঞা
    ২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে , এই আইনে -

    (১) " অধস্তন আদালত" অর্থ সুপ্রীমকোর্টের অধস্তন যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল;

    (২) "আদালত" অর্থ সপ্রীমকোর্ট সহ অধস্তন যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল;

    (৩) " আদালত অবমাননা" অর্থ দেওয়ানী বা ফৌজদারী অবমাননা;

    (৪) " আপীল বিভাগ" অর্থ সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ;

    (৫) " হাইকোর্ট বিভাগ" অর্থ সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ;

    (৬) "দেওয়ানী অবমাননা " অর্থ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন আদালতের রায়, ডিক্রী, নির্দেশনা, আদেশ, রীট, বা কার্যক্রম অবমাননা অথবা আদালতের নিকট প্রদত্ত কোন অঙ্গীকারনামা ভঙ্গ করা;

    (৭) "প্রজাতন্ত্রের কর্ম " অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত প্রজাতন্ত্রের কর্ম;

    (৮) " ফৌজদারী অবমাননা" অর্থ মৌখিক বা লিখিত কোন শব্দ বা চিহ্ন দ্বারা, বা প্রদর্শনযোগ্য কোন কিছুর মাধ্যমে এমন কোন কিছু প্রকাশ করা অথবা এমন কোন কার্য করা যাহাতে -

    (ক) কোন আদালতের কর্তৃত্বকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয় বা হেয় প্রতিপন্ন করিবার অভিপ্রায় থাকে অথবা উহার কর্তৃত্ব সম্পর্কে অপপ্রচার করা হয় বা অপপ্রচার করা হইয়াছে বা অপপ্রচারের অভিপ্রায় থাকে; বা

    (খ) কোন বিচারিক কার্যধারা ক্ষুণ্ন করা হয় অথবা উহাতে হস্তক্ষেপ করা হয় বা হস্তক্ষেপের অভিপ্রায় থাকে; বা

    (গ) অন্য কোনভাবে চলমান বিচারিক কার্যধারার স্বাভাবিক গতিধারাকে বাধাগ্রস্ত করে বা হস্তক্ষেপ করে বা বাধাগ্রস্ত করিবার বা হস্তক্ষেপ করিবার অভিপ্রায় থাকে;

    (৯) "বিচারিক কার্যধারা (Judicial proceeding) " অর্থ আদালতে রুজুকৃত এমন কোন আইনগত কার্যধারা যাহা অনিষ্পন্ন রহিয়াছে বা যাহার বিরুদ্ধে কোন আইনের অধীন দায়েরকৃত আপীল, রিভিশন বা রিভিউ চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয় নাই বা যাহার বিরুদ্ধে উক্তরূপ কার্যাধারা গ্রহণের জন্য কোন আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় নাই; এবং উহা হইতে উদ্ভূত জারী কার্যক্রমও অনুরূপ কার্যধারার অংশ বলিয়া গণ্য হইবে।

    এই আইনের বিধানাবলীর অতিরিক্ততা
    ৩। এই আইনের বিধানাবলী আদালত অবমাননা সম্পর্কিত অন্য কোন আইনের কোন বিধানের ব্যত্যয় না ঘটাইয়া উহার অতিরিক্ত হইবে।

    নির্দোষ প্রকাশনা বা বিতরণ অবমাননা নয়
    ৪। (১) কোন ব্যক্তি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী হইবেন না এই কারণে যে, তিনি মৌখিক বা লিখিত কোন শব্দ বা চিত্র দ্বারা বা প্রদর্শনযোগ্য কোন কিছুর মাধ্যমে, বা অন্যকোনভাবে এমন কোন কিছু প্রকাশ করিয়াছেন যাহা উক্তরূপ প্রকাশনার সময় আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানী বা ফৌজদারী বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ বা বাধা প্রদান করে বা উহা দ্বারা উক্তরূপ বিচার প্রক্রিয়া হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে, যদি না উক্ত সময় তাহার এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে যে, বিষয়টি বিচারাধীন রহিয়াছে।

    (২) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা বিছুই থাকুক না কেন, প্রকাশনার সময় নিষ্পন্নাধীন ছিল না এইরূপ কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী কার্যধারা সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন বিষয়ের প্রকাশ আদালত অবমাননা হিসাবে গণ্য হইবে না।

    (৩) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন বিষয় সম্বলিত কোন প্রকাশনা বিতরণ করিবার কারণে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী হইবেন না, যদি বিতরণ করিবার সময় উক্ত প্রকাশনায় অনুরূপ কোন বিষয় রহিয়াছে বা থাকিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে মর্মে তাহার বিশ্বাস করিবার কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকেঃ

    তবে শর্ত থাকে যে, বই, প্রকাশনা বা মুদ্রণ সম্পর্কিত আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের বিধান লঙ্ঘন করিয়া বিতরণ করিবার ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।

    পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ আদালত অবমাননা নহে
    ৫। কোন ব্যক্তির নিম্নবর্ণিত কার্য আদালত অবমাননা হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি তিনি -

    (ক) ধারা ৬ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালতের কোন বিচারিক কার্যধারা বা উহার কোন অংশ বিশেষের পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেন; বা

    (খ) শুনানীঅন্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হইয়াছে এইরূপ কোন মামলার গুণাগুণ সম্পর্কে পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ মন্তব্য প্রকাশ করেন।

    অধস্তন আদালতের সভাপতিত্বকারী বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ যখন আদালত অবমাননা নয়
    ৬। কোন ব্যক্তি কোন অধস্তন আদালতের সভাপতিত্বকারী বিচারক সম্পর্কে সরল বিশ্বাসে যদি -

    (ক) অন্য কোন অধস্তন আদালতের নিকট, বা

    (খ) সুপ্রীম কোর্টের নিকট,

    কোন বিবৃতি বা মন্তব্য প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী হইবেন না।

    কতিপয় ক্ষেত্র ব্যতীত খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রক্রিয়া সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ আদালত অবমাননা নহে
    ৭। (১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আদালতের খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যধারা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ আকারে তথ্য প্রকাশ আদালত অবমাননা হইবে না, যদি না -

    (ক) এইরূপ প্রকাশনা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনের লঙ্ঘন হয়;

    (খ) আদালত, জনস্বার্থে বা উহার উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে, উহার কার্যধারা বা উহার অংশ বিশেষের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা জারী করে;

    (গ) জন-শৃঙ্খলা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে আদালতের খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে আদালতের কার্যধারা অনুষ্ঠিত হইলে উক্ত কার্যধারা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করে;

    (ঘ) উক্ত তথ্য উক্ত বিচারিক কার্যধারার গোপনীয় কোন বিষয় বা কোন আবিষ্কার বা উদ্ভাবন সংক্রান্ত হয়।

    (২) উপ-ধারা (১) এর বিধান ক্ষুণ্ন না করিয়া, খাস কামরায় বা রুদ্বদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত কোন আদালতের কার্যক্রমের বা উহার আদেশের সকল বা কোন অংশের বিবরণ বা উহার পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সার-সংক্ষেপ প্রকাশের জন্য কোন ব্যক্তি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইবেন না, যদি না আদালত জনস্বার্থে বা জন-শৃঙ্খলা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে, অথবা উক্ত তথ্য কোন গোপনীয় বিষয় সংক্রান্ত অথবা কোন আবিস্কার বা উদ্ভাবন সংক্রান্ত হইবার কারণে, অথবা আদালতের উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে, উক্তরূপ তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারী করে।

    আত্মপক্ষ সমর্থনে অন্য কোন যু্ক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে এই আইন বাধা হইবে না
    ৮। এই আইনের কোন কিছুই কোন আদালতে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য অন্য কোন আইন অনুসারে যে যুক্তি বা জবাব প্রদান করা যাইতো তাহা প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা হইবে না।

    আদালত অবমাননার পরিধি বিস্তৃত না হওয়া
    ৯। এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য নহে এইরূপ কোন লংঘন, প্রকাশনা বা অন্য কোন কার্য এই আইনের পরিধিভুক্ত গণ্যে আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তিযোগ্য হইবে না।

    কতিপয় কর্ম আদালত অবমাননা নহে
    ১০। আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন -

    (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন, বিধিমালা, সরকারী নীতিমালা, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত পরিপত্র, প্রজ্ঞাপন, স্মারক ইত্যাদি যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক জনস্বার্থে ও সরল বিশ্বাসে কৃত বা সম্পাদিত কর্ম আদালত অবমাননা হিসাবে গণ্য হইবে না।

    (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কৃত কর্মের বিষয়ে কোন ব্যক্তি আদালতে শরণাপন্ন হইলে এবং সেই ক্ষেত্রে আদালতের কোন রায় , আদেশ বা নির্দেশ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তির পক্ষে যথাযথ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন বা প্রতিপালন করা অসম্ভব হইলে, অনুরূপ কারণে বাস্তবায়ন বা প্রতিপালন করিতে ব্যর্থতার কারণে তাহার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপন করা যাইবে না।

    আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়ের ও নিষ্পত্তির বিধান
    ১১। (১) কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপিত বা কার্যধারা রুজু করা হইলে, অভিযোগের বিষয়ে তাহাকে কারণ দর্শাইবার সুযোগ প্রদান করিতে হইবে এবং আদালতের নিকট কারণ দর্শাইবার জবাব সন্তোষজনক হইলে, তাহাকে আদালত অবমাননার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে হইবে, এবং জবাব সন্তোষজনক না হইলে তাহাকে উক্ত ব্যক্তির নিয়োজিত আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিত হইবার এবং বক্তব্য প্রদানের সুযোগ প্রদান করিতে হইবে, এবং কার্যধারার কোন পর্যায়ে যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে অবমাননাকারীর ব্যক্তিগত উপস্থিতি আবশ্যক, তাহা হইলে আদালত তাহাকে ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হইয়া বক্তব্য প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

    (২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, যদি কোন ব্যক্তি আইনজীবী নিয়োগ না করিয়া স্বেচ্ছায় ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য প্রদান করিতে বা মামলা পরিচালনা করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহা হইলে আদালত তাহাকে অনুরূপ সুযোগ প্রদান করিবে।

    (৩) আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতির অভিযোগের সমর্থনে সাক্ষ্য গ্রহণ করিবে এবং তাহাকে শুনানি ও সাক্ষ্যদানের সুযোগ প্রদান করিয়া আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে যথাযথ শাস্তির আদেশ অথবা অভিযোগ হইতে অব্যাহতির আদেশ প্রদান করিবে।

    (৪) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপিত বা কার্যধারা রুজু করা হইলে, উক্ত ব্যক্তি তাহার নিয়োজিত আইনজীবী দ্বারা মামলা পরিচালনা করিতে পারিবেন।

    (৫) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আইনজীবী নিয়োগসহ আদালত অবমাননা মামলা পরিচালনার জন্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ সরকারী খাত হইতে অগ্রীম গ্রহণ করিত পারিবেন এবং উক্ত ব্যক্তি আদালত অবমাননার অভিযোগ হইতে অব্যহতি লাভ করিলে অগ্রীম হিসেবে গৃহীত অর্থ সরকারকে ফেরত প্রদান করিতে হইবে না:

    তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ও দণ্ডপ্রাপ্ত হইলে তাহাকে অগ্রীম হিসেবে গৃহীত সমুদয় অর্থ ফেরত প্রদান করিতে হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি অগ্রীম হিসেবে গৃহীত সমুদয় অর্থ ফেরত প্রদান না করিলে উহা তাহার প্রাপ্য গ্রাচ্যুইটি হইতে এককালীন আদায় করা হইবে এবং গ্রাচ্যুইটি হইতে আদায়ের পরও গ্রহীত অগ্রীম বকেয়া থাকিলে ইহা তাহার পেনশন বা পারিবারিক পেনশন হইতে সমম্বয়যোগ্য হইবে।

    (৬) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মের সহিত সংশ্লিষ্ট কোন কার্য বা দায়িত্ব পালন কালে আদালত অবমাননার মামলায় জড়িত থাকা অবস্থায় প্রজাতন্ত্রের কর্ম হইতে অপসারিত, অবসরপ্রাপ্ত বা অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে তাহার স্থায়ীভাবে কর্মাবসান হইলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে আদালত অবমাননার দায় হইতে অব্যহতি প্রদান করিতে পারিবে।

    (৭) উপ-ধারা (৬) এ বর্ণিত পদে পরবর্তীতে স্থলাভিষিক্ত কোন ব্যক্তিকে (successor-in-office) পুনরায় কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া তাহার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপন বা কার্যধারা রুজু করা যাইবে না অথবা পূর্বসুরীর (predecessor-in- office) বিরুদ্ধে চলমান আদালত অবমাননার কার্যধারা বা দায় সরাসরি আরোপ করা যাইবে না।

    হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
    ১২। (১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, কোন অধস্তন আদালতের অবমাননা সংক্রান্ত কোন অভিযোগের বিচার ও শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে।
    ২) Penal Code (XLV of 1860) এর অধীন শাস্তিযোগ্য আদালত অবমাননা কোন অধস্তন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত আদালত অবমাননা বিচারার্থ আমলে গ্রহণ করিবে না।

     

    আদালত অবমাননার শাস্তি, ইত্যাদি
    ১৩। (১) এই আইনের অধীন আদালত অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন:

    তবে শর্ত থাকে যে, আদালত অবমাননা সম্পর্কিত চলমান কার্যধারা যে কোন পর্যায়ে অভিযুক্ত আদালত অবমাননাকারী আদালতের নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করিলে এবং আদালত যদি এইমর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত অভিযুক্ত আদালত অবমাননাকারী নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।

    (২) আদালত অবমাননার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হইয়া শাস্তিপ্রাপ্ত হইবার পর কোন ব্যক্তি তৎকর্তৃক দায়েরকৃত আপীলে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করিলে, আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, তিনি অনুতপ্ত হইয়া আন্তরিকভাবে উক্তরুপ ক্ষমা প্রার্থনা করিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত তাহাকে ক্ষমা করিয়া তাহার উপর আরোপিত দণ্ড মওকুফ বা হ্রাস করিতে পারিবে।

    (৩) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,

    (ক) কোন আদালত উহার নিজের বা উহার অধস্তন কোন আদালতের অবমাননার জন্য উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শাস্তির অতিরিক্ত শাস্তি প্রদান করিতে পারিবে না।

    (খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি দেওয়ানী অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়, সেইক্ষেত্রে আদালত যদি মনে করে যে, কেবল অর্থদণ্ড প্রদানের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হইবে না বরং উহার সহিত কারাদণ্ড প্রদান করা আবশ্যক, তাহা হইলে আদালত বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদানের পরিবর্তে তাহাকে অনূর্ধ্ব ছয় মাস দেওয়ানী কারাগারে আটকের নির্দেশ প্রদান করিবে।

     

    চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপকল্পে প্রণীত আইন৷

    যেহেতু চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

    সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

    সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন
    ১৷ (১) এই আইন চিংড়ি চাষ অভিকর আইন, ১৯৯২ নামে অভিহিত হইবে৷

    (২) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখ হইতে এই আইন বলবত্ হইবে৷



    সংজ্ঞা
    ২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

    (ক) �অভিকর� অর্থ এই আইনের অধীন প্রদেয় অভিকর;

    (খ) �জমির মালিক� অর্থে জমির দখলদারকেও বুঝাইবে;

    (গ) �পানি উন্নয়ন বোর্ড� অর্থ Bangladesh Water and Power Development Boards Order, 1972 (P.O No. 59 of 1972) এর অধীন গঠিত Water Development Board; এবং

    (ঘ) �বিধি� অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি৷

    আইনের প্রাধান্য
    ৩৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির বিধানাবলী কার্যকর হইবে৷

    অভিকর আরোপ
    ৪৷ (১) সরকার কর্তৃক চিংড়ি চাষ এলাকায় নির্মিত বাঁধ বা খননকৃত খাল বা স্থাপিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবয়বের দরুন কোন জমি উপকৃত হইয়াছে, বা উপকৃত হইতে পারে বলিয়া সরকার যদি অভিমত পোষণ করে, তাহা হইলে সরকার উক্ত এলাকায়, অতঃপর প্রজ্ঞাপিত এলাকা বলিয়া উল্লিখিত, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উহাতে উল্লিখিত হারে, অভিকর আরোপ করার অভিপ্রায় ঘোষণা করিতে পারিবে:

    তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রজ্ঞাপিত এলাকার প্রস্তাবিত অভিকর অন্য কোন প্রজ্ঞাপিত এলাকার অভিকর হইতে বেশী বা কম হইতে পারে৷

    (২) প্রজ্ঞাপিত এলাকার কোন জমিতে স্বার্থ আছে এইরূপ কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে সেই জমি উক্ত উপ-ধারার অধীন ঘোষিত এলাকার অন্তর্ভুক্ত করার বিরুদ্ধে সরকারের উদ্দেশ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত কর্মকর্তার নিকট, লিখিত আপত্তি উত্থাপন করিতে পারিবেন৷

    (৩) উপ-ধারা (২) তে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে প্রাপ্ত আপত্তি বিবেচনা করিয়া সরকার প্রজ্ঞাপন দ্বারা-

    (ক) অভিকর আরোপের ঘোষণা প্রত্যাহার করিতে পারিবে, বা

    (খ) যে এলাকা সম্পর্কে উপ-ধারা (১)এর অধীন ঘোষণা দেওয়া হইয়াছে সেই এলাকায় বা উহার কোন অংশে অভিকর আরোপ করিতে পারিবে৷

    অভিকর নির্ধারণ ও আদায়
    ৫৷ (১) ধারা ৪(৩)(খ) এর অধীন অভিকর আরোপকারী প্রজ্ঞাপন প্রকাশনার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, বিধি দ্বারা নির্ধারিত ব্যক্তি প্রজ্ঞাপিত এলাকার অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে এমন সকল জমির অভিকর নির্ধারণ করিবেন৷

    (২) অভিকর প্রদানে জমির মালিকের জ্ঞাতার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত অভিকর দেখাইয়া প্রকাশ্যে প্রাথমিক নোটিশ জারী করিবে৷

    (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন জারীতব্য নোটিশ পানি উন্নয়ন বোর্ড তত্কর্তৃক স্থিরকৃত প্রজ্ঞাপিত এলাকার বিশিষ্ট স্থানে জারী করিবে এবং উক্ত নোটিশে প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত অভিকরের পরিমাণের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি উত্থাপনের সময়সীমা উল্লেখ করিবে৷

    (৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে প্রাপ্ত আপত্তি বিবেচনার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড চূড়ান্তভাবে অভিকর নির্ধারণ করিবে এবং যতদিন পর্যন্ত ধারা ৪(৩) (খ) এর অধীন প্রজ্ঞাপন বলবত্ থাকিবে ততদিন পর্যন্ত উক্তরূপ নির্ধারিত অভিকর প্রদেয় থাকিবে৷

    (৫) উক্তরূপ নির্ধারিত অভিকর পরিশোধের জন্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত ব্যক্তি জমির মালিকের উপর নোটিশ জারী করিয়া নোটিশে উল্লিখিত তারিখের মধ্যে অভিকর পরিশোধ করার নির্দেশ দিবেন৷

    (৬) এই ধারার বিধান সাপেক্ষে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত ব্যক্তি দ্বারা এবং পদ্ধতিতে অভিকর আদায় করা হইবে৷

    (৭) উপ-ধারা (৫) এর অধীন নোটিশে উল্লিখিত তারিখের মধ্যে অভিকর পরিশোধকারী জমির মালিক সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে রিবেট পাওয়ার অধিকারী হইবেন৷

    (৮) উপ-ধারা (৫) এর অধীন নোটিশে উল্লিখিত তারিখের মধ্যে যদি কোন জমির মালিক অভিকর পরিশোধ না করেন, তাহা হইলে তাঁহাকে অপরিশোধিত অভিকরের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে বাত্সরিক সুদ প্রদান করিতে হইবে৷
  5.  

    বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০
    ( ২০১০ সনের ৬২ নং আইন )

    বালুমহাল ইজারা প্রদান ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

    যেহেতু বালুমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, বালুমহাল হইতে পরিকল্পিতভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন ও বিপণন, উহার নিয়ন্ত্রণ, এতদ্‌সংক্রান্ত সংঘটিত অপরাধসমূহ দমন এবং বালুমহাল ব্যবস্থাপনার নিমিত্ত একক কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের লক্ষ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
    সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-


    সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
    ১। (১) এই আইন বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে।

    (২) এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

    সংজ্ঞা
    ২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

    (১) ‘‘ইজারাগ্রহীতা’’ অর্থ এই আইনের অধীন জেলা প্রশাসক হইতে বালুমহাল ইজারা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান;

    (২) ‘‘ইজারামূল্য’’ অর্থ এই আইনের অধীন ইজারাগ্রহীতা কর্তৃক বালু বা মাটি উত্তোলনের বিনিময়ে সরকারকে প্রদত্ত অর্থ;

    (৩) ‘‘কর্তৃপক্ষ’’ অর্থ ধারা ৬ এ বর্ণিত বালুমহাল ইজারা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ;

    (৪) ‘‘খনিজ বালু’’ অর্থ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ ভারী খনিজ পদার্থ (heavy mineral) (যেমন Zircon, Rutile, Illmenite, Monazite, ইত্যাদি) সমৃদ্ধ বালু;

    (৫) ‘‘ফৌজদারী কার্যবিধি’’ অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898);

    (৬) ‘‘বালু’’ অর্থ খনিজ বালু ও সিলিকা বালু ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রকার বালু;

    (৭) ‘‘বালুমহাল’’ অর্থ পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখিয়া আহরণযোগ্য বা উত্তোলনযোগ্য বালু বা মাটি সংরক্ষিত রহিয়াছে এইরূপ কোন উন্মুক্ত স্থান, চা বাগানের ছড়া বা নদীর তলদেশ যাহা এই আইনের অধীন জেলা প্রশাসক কর্তৃক বালুমহাল হিসাবে ঘোষিত;

    (৮) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

    (৯) ‘‘বিভাগীয় কমিশনার’’ অর্থ বিভাগীয় কমিশনার বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত অন্য কোন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার;

    (১০) ‘‘মাটি’’ অর্থ মটলড্ ক্লে, শেল বা ক্লে এবং চায়না ক্লে (Fire clay or White clay) ব্যতীত অন্যান্য মাটি বা বালু মিশ্রিত মাটি;

    (১১) ‘‘রাজস্ব অফিসার’’ অর্থ State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (E. B. Act XXVIII of 1951) এর section 2(24) এ এ সংজ্ঞায়িত Revenue officer;

    (১২) ‘‘সিলিকা বালু’’ অর্থ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ সিলিকন-ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ বালু।

    আইনের প্রাধান্য
    ৩। Ports Act, 1908 (Act XV of 1908), Inland Water Transport Authority Ordinance, 1958 (E. P. Ord. No. LXXV of 1958), খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৩৯ নং আইন) অথবা অন্য কোন আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা অন্য কোন আদেশ, প্রজ্ঞাপন বা নির্দেশনায় বালুমহাল ব্যবস্থাপনা এবং এতদ্‌সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাইবে।

    কতিপয় ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ
    ৪। বিপণনের উদ্দেশ্যে কোন উন্মুক্ত স্থান, চা বাগানের ছড়া বা নদীর তলদেশ হইতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাইবে না-

    (ক) পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১নং আইন) এর অধীন প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসাবে ঘোষিত হইলে;

    (খ) সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারেজ, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা হইলে, অথবা আবাসিক এলাকা হইতে সর্বনিম্ন ১ (এক) কিলোমিটার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সীমানার মধ্যে হইলেঃ

    তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় বলিয়া বিবেচিত হইলে, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখপূর্বক, এই ধারায় উল্লিখিত কোন বিষয়ে উক্ত শর্ত শিথিল করিতে পারিবে;

    (গ) বালু বা মাটি উত্তোলন বা বিপণনের উদ্দেশ্যে ড্রেজিংয়ের ফলে কোন নদীর তীর ভাঙ্গনের শিকার হইতে পারে এইরূপ ক্ষেত্রে;

    (ঘ) ড্রেজিংয়ের ফলে কোন স্থানে স্থাপিত কোন গ্যাস-লাইন, বিদ্যুৎ-লাইন, পয়ঃনিষ্কাশন-লাইন বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ লাইন বা তদ্‌সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হইবার আশংকা থাকিলে;

    (ঙ) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এর আওতাধীন উক্ত বোর্ড কর্তৃক চিহ্নিত সেচ, পানি নিষ্কাশন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে নির্মিত অবকাঠামো সংলগ্ন এলাকা হইলে;

    (চ) চা বাগান, পাহাড় বা টিলার ক্ষতি হইতে পারে, এইরূপ স্থান হইলে;

    (ছ) নদীর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ, মৎস্য, জলজ প্রাণি বা উদ্ভিদ বিনষ্ট হইলে বা হইবার আশংকা থাকিলে;

    (জ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার কর্তৃক, সময় সময়, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত এলাকা হইলে।

    ভূ-গর্ভস্থ বা নদীর তলদেশ হইতে বালু বা মাটি উত্তোলন সংক্রান্ত বিশেষ বিধান
    ৫। (১) পাম্প বা ড্রেজিং বা অন্য কোন মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাইবে না।

    (২) নদীর তলদেশ হইতে বালু বা মাটি উত্তোলনের ক্ষেত্রে যথাযথ ঢাল সংরক্ষণ সাপেক্ষে, সুইং করিয়া নদীর তলদেশ সুষম স্তরে (River Bed Uniform Level) খনন করা যায় এইরূপ ড্রেজার ব্যবহার করতঃ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করিতে হইবে।

    (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন ড্রেজিং কার্যক্রমে বাল্কহেড বা প্রচলিত বলগেট ড্রেজার ব্যবহার করা যাইবে না।

    একক কর্তৃপক্ষ
    ৬। (১) দেশের যে কোন চর এলাকা অথবা যে কোন স্থলভাগ হইতে বালু বা মাটি সরকার কর্তৃক ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে এবং সরকারি যে কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দিষ্ট নদী, নদী বন্দর, সমুদ্র বন্দর, খাল-বিল প্রভৃতি স্থান হইতে উত্তোলিত বালু বা মাটির বিপণনের প্রয়োজন দেখা দিলে উক্ত বিপণনের জন্য একক কর্তৃপক্ষ হইবে ভূমি মন্ত্রণালয়।

    (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা কর্তৃপক্ষের সহিত সমন্বয় করিবে।

    অবাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বালু বা মাটি উত্তোলন
    ৭। অবাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোন সরকারি কার্যক্রম বা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে বালু বা মাটি উত্তোলনের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে নাঃ

    তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত কার্যক্রম বা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বালু বা মাটি উত্তোলন ও ব্যবহার করিবার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হইবে।

    বালু বা মাটি রপ্তানি সংক্রান্ত বিধান
    ৮। (১) সরকার কর্তৃক সময় সময়, প্রণীত রপ্তানি নীতি আদেশের বিধান অনুসরণ ও কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণক্রমে বাংলাদেশ হইতে বালু বা মাটি বিদেশে রপ্তানি করা যাইবে।
    (২) বাংলাদেশ হইতে বালু বা মাটি রপ্তানি সংক্রান্ত বিধান বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

    বালুমহাল ঘোষণা ও বিলুপ্তকরণ
    ৯। (১) বালুমহাল চিহ্নিত ও ঘোষণাকরণের ক্ষেত্রে, উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, জেলা প্রশাসককে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে-

    (ক) সংশ্লিষ্ট এলাকার রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পরিদর্শন করাইয়া ট্রেসম্যাপ ও তফসিলসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন গ্রহণ করিবেন;

    (খ) নৌ-বন্দর সীমার বাহিরে নির্ধারিত নৌ-পথে যেখানে বালু বা মাটি আছে সেই সকল স্থানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর মাধ্যমে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ করাইয়া স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন গ্রহণ করিবেন;

    (গ) দফা (ক) ও (খ) এর অধীন গৃহীত প্রতিবেদনের আলোকে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট এতদ্‌সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রেরণ করিবেন।

    (২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রস্তাব প্রেরণের পূর্বে জেলা প্রশাসক পরিবেশ, পাহাড় ধ্বস, ভূমি ধ্বস অথবা নদী বা খালের পানির স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন, সরকারি স্থাপনার (যথাঃ ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তাঘাট, ফেরিঘাট, হাটবাজার, চা-বাগান, নদীর বাঁধ, ইত্যাদি) এবং আবাসিক এলাকার কোনো ক্ষতি হইবে কিনা সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত গ্রহণ করিবেন।

    (৩) কোন বালুমহালে উত্তোলনযোগ্য বালু বা মাটি না থাকিলে, বা বালু বা মাটি উত্তোলন করিবার ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ বিনষ্ট বা সরকারি বা বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা জনস্বার্থ বিঘ্নিত হইবার আশংকা থাকিলে, জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট উক্ত বালুমহাল বিলুপ্ত ঘোষণা করিবার প্রস্তাব প্রেরণ করিতে পারিবেন।

    (৪) এই ধারার অধীন বালুমহাল চিহ্নিত ও ঘোষণাকরণ কিংবা বিলুপ্তি ঘোষণা সম্পর্কিত জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রেরিত প্রস্তাব বিভাগীয় কমিশনার পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক বা, ক্ষেত্রমত, সরেজমিনে পরিদর্শনপূর্বক, অনুমোদন করিতে পারিবেন, বা সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ পুনঃপ্রস্তাব প্রেরণের নিমিত্ত ফেরত প্রদান করিবেন।

    (৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদন লাভ করিলে জেলা প্রশাসক নির্ধারিত পদ্ধতিতে বালুমহাল ঘোষণা বা, ক্ষেত্রমত, বিলুপ্তিক্রমে উহা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করিবেন।

    (৬) এই ধারার অধীন কোন বালুমহাল ঘোষণা বা বিলুপ্ত করা হইলে জেলা প্রশাসক অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে উহা অবহিত করিবেন।

    (৭) এই ধারার অধীন বালুমহাল ঘোষণা বা বিলুপ্তির আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরকারের নিকট আপত্তি উপস্থাপনপূর্বক দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবেন এবং এই ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।

    (৮) এই আইন বলবৎ হইবার পূর্বে জেলা প্রশাসক কর্তৃক ঘোষিত বালুমহাল এইরূপে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন চিহ্নিত, ঘোষিত ও প্রকাশিত হইয়াছে।

    বালুমহাল ইজারা প্রদান, ইত্যাদি
    ১০। (১) সকল বালুমহাল, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উম্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করিতে হইবে।

    (২) এই আইনের অধীন ইজারা প্রদান সংক্রান্ত সকল বিষয়ে জেলা প্রশাসককে সহায়তা করিবার জন্য প্রতিটি জেলায় জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে।

    (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন গঠিত জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির গঠন ও কার্যপদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

    (৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন উম্মুক্ত দরপত্রে জেলা প্রশাসনের নিকট এই আইনের অধীন তালিকাভুক্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কেহ অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না।

    (৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন তালিকাভুক্তির শর্তাদি, মেয়াদ ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

    (৬) কোন বালুমহাল ইজারার প্রস্তাব অনুমোদিত হইবার পর, জেলা প্রশাসক ইজারা প্রদত্ত বালুমহালের সুনির্দিষ্ট বর্ণনাসহ ইজারার শর্তসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখপূর্বক বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফরমে, ইজারা চুক্তি সম্পাদন করিবেন।

    (৭) ইজারা মূল্যের সম্পূর্ণ অর্থ আদায়ের পর সংশ্লিষ্ট ইজারাগ্রহীতাকে বালুমহালের দখল হস্তান্তর করিতে হইবে।

    ইজারা ব্যতীত বালুমহাল হইতে বালু বা মাটি উত্তোলন, ইত্যাদি ও রাজস্ব আদায় নিষিদ্ধ
    ১১। কোন বালুমহাল ইজারা প্রদান করা না হইয়া থাকিল, উক্ত বালুমহাল হইতে এই আইনের অধীন ইজারা প্রদান ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে বালু বা মাটি উত্তোলন, পরিবহণ, বিপণন ও সরবরাহ করা যাইবে না এবং এই মর্মে কোন রাজস্বও আদায় করা যাইবে না।

    জাতীয় বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি
    ১২। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে এবং কর্তৃপক্ষকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানের প্রয়োজনে জাতীয় বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি থাকিবে।

    (২) জাতীয় বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির গঠন ও উহার কার্যপরিধি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।বালুমহাল ইজারার মেয়াদ
    ১৩। বালুমহাল ইজারা প্রদানের মেয়াদ হইবে প্রতি বাংলা সনের ১ বৈশাখ হইতে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত।

    ইজারা বাতিল ও আপিল
    ১৪। (১) ইজারা গ্রহীতা ইজারামূল্য যথাসময়ে সরকারের নির্দিষ্ট খাতে জমা প্রদান না করিলে, অথবা ইজারা চুক্তিপত্রের কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে, জেলা প্রশাসক বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট ইজারা চুক্তি বাতিল করিতে পারিবেন।

    (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন ইজারা চুক্তি বাতিল হইলে সংশ্লিষ্ট ইজারা গ্রহীতার জামানত সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হইবে।

    (৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইজারা গ্রহীতা বা সংশ্লিষ্ট সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত সিদ্ধান্ত প্রদানের ৭(সাত) কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন।

    (৪) বিভাগীয় কমিশনার উপ-ধারা (৩) এর অধীন আপিল প্রাপ্তির সর্বোচ্চ ২০(বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে, প্রয়োজনীয় শুনানী গ্রহণক্রমে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে আপিল নিষ্পত্তি করিবেন।

    (৫) উপ-ধারা (৪) এর আপীল নিষ্পত্তিতে বিভাগীয় কমিশনারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।

    অপরাধ, বিচার ও দন্ড
    ১৫। (১) এই আইনের ধারা ৪ এ বর্ণিত কতিপয় ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত বিধানসহ অন্য কোন বিধান কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অমান্য করিলে বা এই আইন বা অন্য কোন বিধান লংঘন করিয়া অথবা বালু বা মাটি উত্তোলনের জন্য বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করিলে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ব্যক্তিবর্গ (এক্সিকিউটিভ বডি) বা তাহাদের সহায়তাকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ অনূর্ধ্ব ২(দুই) বৎসর কারাদন্ড বা সর্বনিম্ন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা হইতে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।

    (২) এই আইনের অধীন অপরাধ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ভ্রাম্যমান আদালত বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার হইবে।

    (৩) Code of Criminal Procedure, 1898 এ নির্ধারিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্থদন্ড আরোপ সম্পর্কিত সীমাবদ্ধতা এই আইনের অধীন নির্ধারিত অর্থদন্ড আরোপে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সীমিত করিবে না।

    (৪) এই আইনের অধীন অপরাধ জামিনযোগ্য (Bailable), আমলযোগ্য (Cognizable) ও আপোষযোগ্য (Compoundable) হইবে।

    (৫) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত রায় বা আদেশ দ্বারা কোন পক্ষ সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি উক্ত দন্ডাদেশ প্রদানের ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে স্থানীয় অধিক্ষেত্রের দায়রা জজের আদালতে আপিল দায়ের করিতে পারিবেন।

    বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
    ১৬। সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

    অস্পষ্টতা দূরীকরণ
    ১৭। এই আইনের কোন বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোন অস্পষ্টতা দেখা দিলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, উক্তরূপ অস্পষ্টতা অপসারণ করিতে পারিবে।




     

     

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter